UAE-তে থাকার খরচ আপনি কোন শহরে থাকছেন তার ওপর নির্ভর করে। দুবাইতে একরুমের অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া বেশ চড়া, তাই অনেকেই Sharjah বা Ajman-এ থেকে যাতায়াত করেন, যেখানে বেশ কম খরচে ফ্ল্যাট পাওয়া যায় (আনুমানিক ১,৫০০-৩,০০০ AED বা প্রায় ৪৯,৫০০-৯৯,০০০ টাকা)। সিঙ্গেল মানুষের খাবার খরচ মাসে ৮০০-১,২০০ AED (প্রায় ২৬,৪০০-৩৯,৬০০ টাকা) হতে পারে। এখানে income tax শূন্য, তাই আয়ের পুরো টাকাটাই আপনার।
Living cost ও savings, location, lifestyle এবং company অনুযায়ী vary করে। মাসে ২,০০০-৫,০০০ AED (প্রায় ৬৬,০০০-১,৬৫,০০০ টাকা) (এটা সম্ভাব্য সঞ্চয় এবং rate পরিবর্তনশীল) সঞ্চয় সম্ভব, তবে শহর ও জীবনযাত্রার ধরন অনুযায়ী এটি কম-বেশি হতে পারে। ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো সবচেয়ে নিরাপদ, hundi ব্যবহার করা বেআইনি এবং এতে দেশে ফেরার ঝুঁকি থাকে।
UAE Labour Law অনুযায়ী টানা ১ বছর কাজ করলে আপনি gratuity পাওয়ার যোগ্য হবেন। প্রথম ৫ বছরের জন্য প্রতি বছর ২১ দিনের basic salary এবং এরপর থেকে প্রতি বছর ৩০ দিনের basic salary হিসেবে এটি হিসাব করা হয়। তবে housing বা transport allowance এর অন্তর্ভুক্ত হয় না। চাকরি শেষ হওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে employer এই টাকা বুঝিয়ে দিতে বাধ্য।
প্রথমবার যাওয়ার আগে নিজের কাছে অন্তত ১০,০০০-১৫,০০০ AED (প্রায় ৩,৩০,০০০-৪,৯৫,০০০ টাকা) সমপরিমাণ টাকা রাখা ভালো, যা প্রথম মাসের খরচ বা সিকিউরিটি ডিপোজিট হিসেবে কাজে লাগবে। অনেক employer ভিসা ও ফ্লাইটের খরচ দেয়, তারপরও ইমার্জেন্সি ফান্ড থাকা জরুরি। দেশে NRB account খুলে রাখলে ভবিষ্যতে বিনিয়োগের সুবিধাও পাবেন।
| খাত | খরচ | সূত্র |
|---|---|---|
|
পাসপোর্ট (ই-পাসপোর্ট) পাতা, মেয়াদ ও জরুরিতাভেদে |
±৳৪,০০০–১৩,৮০০ সম্ভাব্য | ই-পাসপোর্ট পোর্টাল |
|
BMET নিবন্ধন ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার |
৳৮০ | বিকেটিটিসি (সরকারি) |
|
BMET স্মার্ট কার্ড বিনামূল্যে |
৳০ | Dhaka Tribune বাংলা, ডিসেম্বর ২০২৪ |
|
ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে (আগে ৳৩,৫০০) |
৳৫,৫০০ | TBS, সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
|
মেডিকেল পরীক্ষা (Wafid/GAMCA) + অনলাইন নিবন্ধন মেডিকেল সেন্টারভেদে |
±৳১০,০০০–১০,৫০০ | তথ্য-ওয়েবসাইট, ২০২৬ |
| বাস্তবে (২০২৫, দুবাই) OKUP গবেষণা: সরকারি হারের ৩–৪ গুণ — টাকার অঙ্ক সেই অনুপাতে হিসাব করা |
±৳৩,২৩,৩৪০–৪,৩১,১২০ | Dhaka Tribune, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ |
- রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স BMET-এর ওয়েবসাইটে মিলিয়ে দেখুন।
- চেক, ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডারে টাকা দিন — নগদে নয়।
- চুক্তিপত্রে বেতন, কাজের ধরন আর কে কোন খরচ দেবে — সব লিখিয়ে নিন।
- "ফ্রি ভিসা" নেবেন না — বিদেশে গিয়েও বাড়তি টাকা লাগে।
± চিহ্ন মানে অঙ্কটা সময়, সেন্টার বা বিনিময় হারভেদে বদলায়। খরচ ও নিয়ম বদলায় — যাত্রার আগে BMET ও দূতাবাসে যাচাই করুন।