২০২৬ সালের আপডেটেড তথ্য অনুযায়ী, নিউজিল্যান্ডে qualified ও certified candidates-দের চাহিদা আছে, বিশেষ করে কনস্ট্রাকশন, প্লাম্বিং এবং হেভি মেশিনারিজ সেক্টরে। ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং পোস্ট-সাইক্লোন রিবিল্ড প্রজেক্টগুলোর কারণে এই চাহিদা তৈরি হয়েছে। তবে জব মার্কেটে যোগ্যতার মাপকাঠি এখন বেশ কড়াকড়ি। Accredited Employer Work Visa (AEWV) রুলসে পরিবর্তন আসায় এমপ্লয়ারদের এখন লোকাল মার্কেট টেস্ট করে প্রমাণ করতে হয় যে তারা স্থানীয় কর্মী পাননি।
প্রতি মাসে বেতনের ধারণা (২০২৬): Low: NZD 3,500-4,500 (প্রায় ২,৫২,০০০-৩,২৪,০০০ টাকা), Average: NZD 5,000-7,000 (প্রায় ৩,৬০,০০০-৫,০৪,০০০ টাকা), High: NZD 7,500-10,000 (প্রায় ৫,৪০,০০০-৭,২০,০০০ টাকা)। (এটা সম্ভাব্য বেতন/আয় এবং rate পরিবর্তনশীল) Salary, skill level, certification এবং company type (ছোট/মাঝারি কোম্পানি vs এই region-এর বড় multinational বা সরকারি কোম্পানি যেমন Fletcher Building, Downer Group) অনুযায়ী উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন হয়। Direct hiring-এ কোম্পানিগুলো চমৎকার হেলথ ইন্স্যুরেন্স এবং লিভ বেনিফিট দেয়, কিন্তু contractor হিসেবে কাজ করলে সাময়িক আয় বেশি হলেও প্রজেক্ট শেষে কাজের নিশ্চয়তা কম থাকে।
AEWV ভিসার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে সরাসরি কাজে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ভিসা প্রসেসিং হতে সাধারণত ৬-১০ সপ্তাহ সময় লাগে। দীর্ঘমেয়াদী সেটেলমেন্টের জন্য Skilled Migrant Category (SMC) ভিসায় ৬-পয়েন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে পিআর (PR) আবেদন করা যায়, যেখানে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয় এবং অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে পয়েন্ট দেওয়া হয়। PR পাওয়ার পর নিউজিল্যান্ডে টানা ৫ বছর বসবাস করলে সিটিজেনশিপের জন্য আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করা যায়।
অকল্যান্ড, ওয়েলিংটন এবং ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশিদের একটি ক্রমবর্ধনশীল কমিউনিটি রয়েছে। এখানকার পরিবেশ অত্যন্ত শান্ত, পরিষ্কার এবং বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ জায়গা হিসেবে পরিচিত। নতুন প্রবাসীদের সেটেল হওয়ার ক্ষেত্রে এখানকার বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং লোকাল কিউইরা (Kiwis) অনেক বেশি সহায়ক মনোভাব পোষণ করে।